২০২৫ সালের অক্টোবরের প্রথম দিকে বাংলাদেশে ৫০,৬৮৯ জন ডেঙ্গু রোগী ধরা পড়েছে এবং ২১৫ জন মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষ করে গ্রামের এলাকা পর্যন্ত রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জরুরি মশক নিধন কার্যক্রম এবং জনসাধারণ সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানাচ্ছেন।
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষ করে দিনের বেলায় কামড়ানো এই মশা পরিষ্কার পানিতে জন্ম নেয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বনই একমাত্র উপায়।
ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণসমূহ:
হঠাৎ করে উচ্চ জ্বর (১০২°–১০৫°F)
তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা
শরীর ব্যথা ও গিরায় ব্যথা
বমি বমি ভাব বা বমি
ত্বকে ফুসকুড়ি বা লালচে দাগ
নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া (গুরুতর পর্যায়ে)
ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়:
১. বাসা ও আশপাশের যেসব স্থানে পানি জমে থাকে (ফুলের টব, টায়ার, ড্রাম, ফ্রিজের ট্রে, বোতল ইত্যাদি) সেগুলোর পানি সপ্তাহে অন্তত একবার ফেলে দিন।
২. দিনের বেলায়ও মশারি ব্যবহার করুন।
৩. মশা তাড়ানোর স্প্রে, কয়েল বা ক্রিম ব্যবহার করুন।
৪. ঘরের ভিতর ও বাইরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
৫. নর্দমা বা ড্রেন যেন বন্ধ না থাকে তা নিশ্চিত করুন।
ডেঙ্গু হলে করণীয়:
জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
নিজে থেকে কোনো ওষুধ (বিশেষ করে অ্যাসপিরিন বা ব্রুফেন) গ্রহণ করবেন না।
পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করুন।
প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা
(CBC, Dengue NS1, IgM/IgG) করান।

Comments
Post a Comment